সুভাষ ও মা কালি
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ স্বামী আদিদেবানন্দ
শ্রীরামকৃষ্ণ শরণম।।
জয়তু স্বামীজী।।
জয়তু নেতাজি।।
জয় মা কালি।।
আপনারা কি জানেন………
স্বামী বিবেকানন্দের ভাব শিষ্য নেতাজী সুভাষ ছিলেন মা কালীর ঐকান্তিক ভক্ত |
এই দেশনায়ক তাঁর সাধনার অভিনবত্বের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন শক্তিমান বীর্যবান ও অভীঃমন্ত্রে দীক্ষিত |
তিনি তার লেখনি হতে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন ভয় জয় করার উপায় শক্তি সাধনা |দুর্গা, কালী প্রভৃতি মূর্তি শক্তির রূপবিশেষ |
"শক্তির যে কোন রূপ মনে মনে কল্পনা করিয়া তাঁহার চরণে মনের দুর্বলতা ও মলিনতা বলি রূপে প্রদান করিলে মানুষ শক্তিলাভ করিতে পারে" |
নেতাজীর দৃষ্টিতে কালীপুজো হচ্ছে দেশমাতৃকার পটভূমিকায় এক সার্থক ঐকতান |
এলগিন রোডের বাড়িতে নজরবন্দী অবস্থায় তিনি মহাতীর্থ দক্ষিণেশ্বর থেকে ভক্তজনকল্পবল্লী ভবতারিণী মায়ের চরণামৃত, নির্মাল্য ও প্রসাদ আনিয়েছিলেন | তাঁর দেশব্রতী জীবনের বহু পদক্ষেপ ও বিহিত তিনি নিয়েছিলেন দীপান্বিতা শ্যামা পুজোর দিন |
তাছাড়া সবচেয়ে বড় ঘটনা এই কালী পুজোর পূণ্য দিনেই সিঙ্গাপুরে সর্বাধিনায়ক সুভাষচন্দ্র আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন |
সালটি ছিল 21 অক্টোবর 1943 | সিঙ্গাপুরে অবস্থান কালীন নেতাজী সামরিক পোশাকে গাড়ি চালিয়ে প্রায়ই উপস্থিত হতেন স্থানীয় রামকৃষ্ণ মিশনে | গরদের কাপড় পরে ধ্যানে নিমগ্ন থাকতেন ঠাকুরের মন্দিরে |
স্বামী বিবেকানন্দের "নাচুক তাহাতে শ্যামা" কবিতা সুভাষের কাছে ছিল প্রভূত প্রেরণার উত্স | এই কবিতার শেষ চার ছত্র প্রায়ই তিনি আবৃত্তি করতেন ………
"জাগো বীর ঘুচায়ে স্বপ্নন,
শিয়রে শমন, ভয় কি তোমার সাজে ?
দুঃভার, এভব ঈশ্বর মন্দির তাহার প্রেতভূমি চিতা মাঝে |
পূজা তার সংগ্রাম অপার, সদা পরাকায় তাহা না ডরাক তোমা | চূর্ণ হোক স্বার্থ সাধ মান,
হৃদয় শ্মশান, নাচুক তাহাতে শ্যামা" ||



0 Comments:
Post a Comment
Subscribe to Post Comments [Atom]
<< Home