মালদার এক প্রাচীন পূজা
মালদার অন্যতম প্রাচীন পুজো, "ব্যায়াম সমিতি"র কালী পুজোয় মিশে আছে অগ্নিযুগের বীর বঙ্গ সন্তানদের শক্তি আরাধনার ইতিহাস।
পুজোর ইতিহাস খুঁজলে জানা যায়, ১৯৩০ সালে দেশমাতৃকাকে শৃঙ্খল মুক্ত করতে ইংরেজবাজার শহরের কিছু বিপ্লবী যুবক একত্রিত হয় এবং নিজেদের শারীরিক ভাবে সুদৃঢ় রাখতে " ব্যায়াম সমিতি" গড়ে তোলেন। সমিতির প্রাণপুরুষ ছিলেন বিপ্লবী কমল কৃষ্ণ চৌধুরী। তিনি অনুভব করেন সশস্ত্র বিপ্লবী কর্মকান্ডে শুধু শারীরিক ভাবে সুদৃঢ় থাকলেই হবে না, মানসিক ভাবেও সুদৃঢ় থাকতে হবে। তাই সেই বছর থেকেই শুরু হলো শক্তি আরাধনার। এই পুজো বন্ধ করতে ইংরেজরা সচেষ্ট হলেও ব্যর্থ হন তারা।
এই কালীমূর্তিটির কিছু বিশেষত্ব আছে। দেবী হলেন মহাকালী। তাঁর দশটি মাথা, দশটি হাত এবং দশটি পা। (দশ দেবীর শক্তি কে একত্রিত করার জন্য এমন দেবী কল্পনা করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়। )দেবীর পদতলে শিবের অস্তিত্ব নেই, তার জায়গায় রয়েছে অসুরের কাটা মুন্ড। প্রথা মেনে অমাবস্যার পরিবর্তে চতুর্দশী তে দিনের বেলায় পূজা হয়। পাঁঠা বলির শেষে দেবী কে শোল মাছের টক রান্না করে দেওয়া হয়।


0 Comments:
Post a Comment
Subscribe to Post Comments [Atom]
<< Home